বয়স বাছুন, একটা গেম চাপুন। ছোট্ট রাউন্ড, বড় বড় বোতাম, শেষে একটা কার্ড।
ডিম সেদ্ধ, জুতোর ফিতা বাঁধা, দোকানে কেনাকাটা। ১২টা বিষয়, ৬৫টা চ্যালেঞ্জ, প্রতিটায় ভিডিও আর ধাপ।
১২টা স্কিলই দেখুনম্যাথ, সায়েন্স আর সিলেবাস স্কুল সামলাচ্ছে। কিন্তু ডিম সেদ্ধ করা, ব্যাট ধরা, বা ফেক ভিডিও চেনা, এগুলোর কোনো ক্লাস নেই।
ম্যাথ, সায়েন্স, ভাষা। জরুরি, আর সেটা স্কুল আর একশটা টিউশন অ্যাপ সামলাচ্ছে।
বাচ্চা কি রান্না করতে পারে? রাস্তা পার হতে পারে? ভাংতি গুনতে পারে? গাছ বাঁচিয়ে রাখতে পারে? শখে একটা বই পড়ে?
স্কুল আর ব্যস্ত বাবা-মায়ের মাঝখানে এগুলো পড়ে থাকে। আরো সেটাই তুলে নেয়, একটা একটা ছোট চ্যালেঞ্জে।
বড় হওয়ার বাকি অর্ধেকটা: আসল স্কিল, নিজে হাতে করা, প্রুফসহ।
প্রতিটা চ্যালেঞ্জ একই রকম: ৫ মিনিট ভিডিও, তারপর আসল কাজ।
প্রতি চ্যালেঞ্জে ২-৩টা ছোট ভিডিও, আমাদের টিমের বাছাই করা। অটোপ্লে নেই, ঘুরপাক নেই।
ডিম সেদ্ধ করো। গাছে পানি দাও। দোকান থেকে রুটি কিনে ভাংতি গুনে নাও। স্ক্রিন ছেড়ে, আসল দুনিয়ায়।
একটা ছবি বা ছোট ভিডিও, আর নিজের ভাষায় দুই লাইন: কী শিখলে।
আপনি এক ট্যাপে অ্যাপ্রুভ করেন। বাচ্চা পায় ব্যাজ, আর "আমি পারি" ফিলিংটা।
চার বছরে জুতার ফিতা বাঁধা থেকে পনেরো বছরে AI-এর ভুল ধরা পর্যন্ত।
ফোনটা দেন ২০ মিনিটের জন্য। অটোপ্লে ঠিক করে পরের দুই ঘণ্টা। আরো বানানো হয়েছে ঠিক উল্টোভাবে।
শুধু আমাদের টিমের বাছাই করা ২-৩টা ভিডিও, আরো-র ভেতরে। ইউটিউবের হোমপেজ বাচ্চা কখনো দেখে না।
দিনে কতক্ষণ ভিডিও, আপনি ঠিক করেন। সময় শেষ হলে ভিডিও থেমে যায়। কাজ করা থামে না।
৫ মিনিট দেখা, তারপর রান্নাঘর, বারান্দা, বা মাঠ।
ড্যাশবোর্ড ফোনে চলে, ল্যাপটপে বড় হয়ে খোলে।
স্কুল পায় ক্লাস অনুযায়ী হিসাব: কয়টা চ্যালেঞ্জ শেষ, কয়টা খেলার ড্রিল, কয়টা বই পড়া হলো। বড় হওয়ার যে অংশটা স্কুল সবসময় করাতে চেয়েছে, এবার তার রেকর্ড থাকে।
কোনো ক্লাসের সাথে এটার প্রতিযোগিতা নেই। স্কুলের কো-কারিকুলার ইচ্ছাটাকে আরো একটা রাস্তা দেয়।
কত শব্দ পড়া হলো, কয়টা চ্যালেঞ্জ, কয়টা ড্রিল। বাচ্চা থেকে ক্লাস, ক্লাস থেকে স্কুল, সব যোগ হয়।
প্রতিটা স্ক্রিন, চ্যালেঞ্জ আর বই দুই ভাষাতেই চলে, বাচ্চা অনুযায়ী বদলানো যায়।
বাচ্চার শুরু করতে যা যা লাগে, সব ফ্রি। যারা আরো চান, তাদের জন্য প্লাস।
একটা উইকেন্ড ইভেন্ট, যেখানে বাচ্চারা লাইভ দেখায় কী পারে। আসল বিচারক, আসল পুরস্কার, আর বাসায় যে খেটেছে তার জন্য একটা স্টেজ।
বাসায় যে ব্যাজ পেয়েছে, সেটা ভেরিফায়ারের সামনে করে দেখাও: ভাত রান্না, গিঁট বাঁধা, ভাংতি গোনা। যারা রেস করতে চায়, তাদের জন্য টাইমড রাউন্ড।
স্পটে ভেরিফাই হলে বাসার ব্যাজ হয়ে যায় অফিসিয়াল আরো সার্টিফিকেট। সাইন করা, প্রিন্ট করা, ফ্রেমে বাঁধানোর মতো।
বয়স অনুযায়ী র্যাংকিং, মেডেল আর অ্যাওয়ার্ড। বাচ্চা বাড়ি ফেরে হাতে কিছু নিয়ে, আর পরের স্কিলটা শুরু করার ইচ্ছা নিয়ে।
বাচ্চারা পায় স্টেজ আর হাততালি। আপনি পান একটা সকাল, যেখানে ওরা ব্যস্ত, গর্বিত, আর ফোন থেকে দূরে। ফাউন্ডিং ফ্যামিলিরা ইভেন্টের তারিখ আগে জানেন।
আরোর দরজা সবে খুলল। যে পরিবারগুলো শুরু থেকে আছে, তারা অ্যাপের সাথে আরও কিছু পান: নতুন যা কিছু বানাই সবার আগে, স্কিল অডিট ডে-তে প্রথম ডাক, আর সামনে কী আসবে তাতে সত্যিকারের মত। আপনার বাচ্চার কথাতেই আরো গড়ে ওঠে।
শুরুর পরিবারে যোগ দিন, ফ্রি২ মিনিটে আরো সেট করুন। একসাথে একটা চ্যালেঞ্জ বাছুন। দেখুন, আপনার বাচ্চা কী পারে।
ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুনশুরু করতে ফ্রি · কার্ড লাগে না